বাক্যরা – ১

আজকে বাড়িটা কোথায় যেন চলে গেছে। কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছিনা। রাস্তার মাথায় এসে চেনা চেনা সিগারেটের দোকানের দিকে তাকাতেই চুল কাটার কচকচ শব্দ। ওটা দশতলা অট্টালিকা এখন। সরু গলিটার অন্য মাথায় ঝুম বৃষ্টি। আর কি অশনি মেঘ। এখানে শুনশান। রাস্তার ডানে তাকাতে তাকাতেই কখন যেন বামদিক থেকে ছুটে আসে মিশুক। মহাখালী ১০ টাকা। গতকালকে সুপার মুন ছিল। সে কি মাতামাতি। তাই আজকের চাঁদটা বোধহয় অভিমান করেই মুখ শুকায়ে আছে। কামাল মামার চায়ে ডুবায়ে টুপ করে গিলে ফেলতে ইচ্ছে হচ্ছিল চাঁদটাকে। অস্থিরতা। সকাল হচ্ছে।

সাড়ে ৯টার ক্লাসের জন্য ৮টার ভাইটাল ঘুমকে কাচকলা দেখায় ক্যাম্পাসে  যাওয়া মেয়েটা আলাভোলা ছেলেটাকে চুমু খেতে কি ভেবেছিল কর্পোরেট বটগাছে বেয়ে উঠার দড়ি সবাই খুঁজে পায়না? কত দামে বিক্রি হয়  সিএনজির ঘোরটোপে ঘোরলাগা দৃষ্টি?

“জানো তোমার মতই আমি হাতড়ে বেড়াই, জেনো তোমার মতই আমারও বন্ধু একটা চাই”।
তাই
“ধুত্তোরি ছাই,
তাই হাওয়ায় উড়াই,
শহরের জমে থাকা গান”

শেষমেশ বাসা খুজঁতে ভাসা ভাসা চোখে হলুদ, নীল আর গোলাপি বেলুন দেখি। এই যাহ। ফোলা গালে পিচ্চিটার ফসকে যাওয়া বেলুন উড়ে চলে। আরো দূরে। আরো সরে সরে যায়। আমার বাড়িটার খোঁজে।

Advertisements